ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন
কোম্পানী লিমিটেড (ডিপিডিসি)
ডিপিডিসি
নির্ভরযোগ্য বিদ্যুৎ,উৎফুল্ল গ্রাহক

২০১৯ সালের মধ্যে ডিপিডিসির সব গ্রাহককে প্রি-পেইড মিটারের আওতায় আনা হবে





যায়যায়দিন: বিদ্যুতের প্রি-পেইড মিটার চালু করেছেন আপনি। এ ক্ষেত্রে কি সুবিধা পাবেন গ্রাহকরা?
বিকাশ দেওয়ান : প্রি-পেইড মিটারের সবচেয়ে সুবিধা হলো বিদ্যুতের বিল দিতে গ্রাহককে কোনো ঝামেলা পোহাতে হবে না। গ্রাহক কি পরিমাণ বিদ্যুৎ ব্যবহার করছেন, কত খরচ হয়েছে, কত টাকা বাকি আছে তা জানতে পারবেন। এটা একটি সুবিধা। তার পরে গ্রাহক ইচ্ছা করলে তার বিদ্যুৎ সাশ্রয় করতে পারেন। প্রয়োজন হলে খরচ করবেন, না হলে করবেন না। অন্যদিকে, প্রি-পেইড মিটার ব্যবহারের মাধ্যমে ডিপিডিসি এবং গ্রাহক দুই পক্ষই সমান লাভবান হবে। আমরা যেমন অগ্রিম টাকাটা পেয়ে যাব, আবার প্রি-পেইড পদ্ধতিতে সিস্টেম লস অনেক কমে যাবে। এ ছাড়া এটি এমন একটি প্রযুক্তি কেউ কারসাজি করতে চাইলে মিটারটি তাৎক্ষণিক বন্ধ হয়ে যাবে।
 
যায়যায়দিন: প্রি-পেইড মিটারে গ্রাহক বিদ্যুৎ কিনবেন কীভাবে?
বিকাশ দেওয়ান : গ্রাহরা দুইভাবে বিদ্যুৎ কিনতে পারবেন। আমাদের দুই প্রকারের মিটার আছে। একটি হলো স্মার্ট মিটার আরেকটি কি পেইড মিটার। স্মার্ট মিটারের মধ্যে স্মার্ট কার্ড থাকে। স্মার্ট কার্ডটি ভেন্ডিং স্টেশন থেকে মিটারের সঙ্গে দিয়ে দেয়া হয়। সেখানে চাহিদা অনুযায়ী টাকা রেখে মিটারে চার্জ করলে সঙ্গে সঙ্গে লোর্ড হয়ে যাবে। আরেকটি হলো প্রি-পেইড মিটার। ভেন্ডর একটি নাম্বার দিয়ে দেবে। ওই নাম্বার মোবাইলের মতো মিটারের গায়ে এন্ট্রি দিলে টাকা লোড হয়ে যাবে। এ ছাড়া ব্যাংকের মাধ্যমেও রিচার্জ করা যায়।
যায়যায়দিন: আপনি প্রি-পেইড মিটারের সুবিধার কথা বললেন। অনেক গ্রাহকের অভিযোগ, রিচার্জ করার জন্য অনুমোদিত ব্যাংক ও শাখা প্রয়োজনের তুলনায় কম হওয়ায় নির্দিষ্ট শাখায় গিয়ে দীর্ঘ লাইন দিতে হচ্ছে।
বিকাশ দেওয়ান : আসলে নতুন টেকনোলজিতে কিছু সমস্যা থাকে। আমরা এ ব্যাপারে ডিপিডিসি থেকে পর্যবেক্ষণ করছি। বিল দুইভাবে দেয়া যায়। একটি হলো আমাদের ভেন্ডিং স্টেশনের মাধ্যমে আরেকটি ব্যাংকের মাধ্যমে। ব্যাংকের পর্যাপ্ত বুথ না থাকায় হয়তো কোনো কোনো গ্রাহকের বিল দিতে সমস্যা হচ্ছে। কিন্তু আমাদের ভেন্ডিং স্টেশন পুরো সপ্তাহ খোলা থাকে। সেখানে কোনো সমস্যা নেই। অবশ্য কোনো গ্রাহকের রিচার্জ বৃহস্পতিবার বিকালে শেষ হয়ে গেলেও রোববার সকাল ১০টা পর্যন্ত (ফ্রেন্ডলি আওয়ার) বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হবে না। এ ছাড়া ইতোমধ্যে আমরা পয়েন্ট অব সেল ডেভেলপ করছি। এ ব্যাপারে গ্রামীণফোনের সঙ্গে চুক্তি করেছি। এখন একটি ডিভিশনের অধীনে কমপক্ষে ৫-১০টি ব্যাংক এবং নিজস্ব ভেন্ডিং স্টেশন আছে। গ্রামীণফোন আমাদের কাছ থেকে বিদু্যৎ পাইকারি হিসেবে কিনে নেবে। তারা তাদের নমিনেটেড রিটেইলারের মাধ্যমে এ সব প্রি-পেইড কার্ড দিয়ে রিচার্জ করে। তখন গ্রাহক বন্ধের দিনসহ রাত-দিন ২৪ ঘণ্টা বিল দেয়ার সুবিধা পাবেন। আমাদের এ থার্ড পার্টি ভেন্ডর গত সপ্তাহে চালু করেছি। এ ব্যাপারে আমাদের আর কোনো সমস্যা থাকবে না। গ্রামীণের পরে আমরা রবিসহ অন্যান্য মোবাইল অপারেটরের সঙ্গে এ চুক্তিতে যাব।
যায়যায়দিন: এ পর্যন্ত কয়টি এলাকায় এ সব প্রি-পেইড মিটার চালু হয়েছে?
বিকাশ দেওয়ান : ১১টি এলাকায় এসব মিটার চালু করেছি। আমাদের মোট ৩৬টি এলাকা আছে। ডিপিডিসির টার্গেট ২০১৮ সালে তিন লাখ গ্রাহকের কাছে এ সেবা পৌঁছে দেয়া। ২০১৯ সালের মধ্যে ডিপিডিসির অধীনে সব গ্রাহককে এ সেবার আওতায় আনব।
যায়যায়দিন: মিটারের দাম কত পড়ছে? গ্রাহকের কাছ থেকে মিটারের টাকা কীভাবে নিচ্ছেন?
বিকাশ দেওয়ান : প্রতিটি সিঙ্গেল ফেইজ মিটারের দাম নিচ্ছি ৩১ ডলার বা প্রায় আড়াই হাজার টাকা। মিটারের টাকা একবারে গ্রাহকের কাছ থেকে নিচ্ছি না। প্রতি মাসে সিঙ্গেল ফেইজ ৪০ টাকা হারে মিটার চার্জ কেটে নেয়া হচ্ছে। আর থ্রি-ফেইজ মিটার নিচ্ছি ১৮৮ ডলার। চার্জ কেটে নেয়া হচ্ছে ২৫০ টাকা করে। এ ক্ষেত্রে গ্রাহকের ওপর কোনো চাপ সৃষ্টি হচ্ছে না। আমরাও টাকাটা ঠিকভাবে পাচ্ছি। শুধু বিদ্যুৎ সেবা দিলেই তো হবে না, ডিপিডিসি একটি কোম্পানি হিসেবে আমাদের টিকে থাকতে হবে।
যায়যায়দিন: আসন্ন গ্রীষ্ম মৌসুমে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের লক্ষ্যে আপনার পরিকল্পনা কী?
বিকাশ দেওয়ান : আপনি জানেন, ডিপিডিসি ঢাকাসহ নারায়ণগঞ্জ এলাকায় সেবা দিয়ে থাকি। বিশেষ করে পুরনো ঢাকায় অনেক গিঞ্জি এলাকায় ৪০ থেকে ৫০ বছরের পুরনো বিদ্যুৎ লাইনও আছে। ২০১৮ সালে গ্রীষ্ম মৌসুমে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য উৎপাদনের সঙ্গে ডিস্ট্রিবিউশন যেন ঠিক থাকে এ জন্য আমরা কাজ করছি। ইতোমধ্যে যে সব এলাকা খুব অভার লোডেড তা শিফট করছি। যে সব জায়গায় আমাদের সাব-স্টেশন ট্রান্সফরমারের অভাব আছে, সেখানে ট্রান্সফরমার বসাচ্ছি। এগুলো হচ্ছে স্বল্পমেয়াদি পরিকল্পনা। তবে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার মধ্যে কিছু প্রকল্প আমরা হাতে নিয়েছি। যেমন- বেশ কয়েকটি সাব-স্টেশন করছি। এটা হয়ে গেলে আমাদের বিদ্যুৎ উৎপাদন ও সরবরাহে কোনো ঘাটতি থাকবে না।
যায়যায়দিন: বিশেস্নষকরা বলছেন, বিদ্যুৎ উৎপাদনের সঙ্গে বিতরণ ও সঞ্চালন ব্যবস্থায় অবকাঠামোগত উন্নয়ন না হওয়ায় সিস্টেম লস হচ্ছে।
বিকাশ দেওয়ান : আমরা সরকারের বিদ্যুৎ বিভাগের মাস্টারপস্ন্যান অনুসারে কাজ করছি। বিদু্যৎ উৎপাদনের সঙ্গে বিতরণ ও সঞ্চালন যেন একইভাবে কাজ করতে পারে সে জন্য বিদ্যুৎ বিভাগ আমাদের সঙ্গে সমন্বয় করে একটি টার্গেট নির্ধারণ করেছে। তারই ধারাবাহিকতায় ডিপিডিসি নতুন নতুন জেনারেশনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে নতুন বিদ্যুৎ উপকেন্দ্র এবং বিদ্যুৎ বিতরণ লাইন নির্মাণের পদক্ষেপ নিয়েছে। আমাদের অনেক আগের একটি প্রকল্প আছে। বাংলাদেশ এবং চীন সরকারের মধ্যে (জি টু জি) একটি বড় প্রকল্প বাস্ত্মবায়ন হওয়ার কথা। আশা করছি, আগামী বছরের জুন-জুলাইয়ের মধ্যে এ প্রকল্প চালু হবে। এর মধ্যে ওই প্রকল্প দেরি হচ্ছে বলে আরও একটি ডিস্ট্রিবিউশন প্রকল্প হাতে নিয়েছি। এটা আমরা মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়ে দিয়েছি।
যায়যায়দিন: সাব-স্টেশনগুলো কোথায় কোথায় করা হচ্ছে?
বিকাশ দেওয়ান : ১৩২/৩৩ কেভির মাঠপর্যায়ে সাতটি সাব-স্টেশনের কাজ চলছে। এলাকাগুলো হলো- ফতুলস্না, গোস্ত্মগোলা, কাজলা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, জিগাতলা ও মতিঝিল। ২০১৮ সালের মধ্যে আমরা পাঁচটি সাব-স্টেশন চালু করতে পারব আশা রাখি।
যায়যায়দিন: সিস্টেম লসের ক্ষেত্রে ডিপিডিসি কিছুটা ভালো করছে। আরও কমিয়ে আনার ব্যাপারে কি পদক্ষেপ নিয়েছেন আপনি?
বিকাশ দেওয়ান : সিস্টেম লস দু'ভাবে হয়। একটি টেকনিক্যাল লস আরেকটি চুরি। চুরির বিষয়ে আমরা ডিপিডিসি ও গ্রাহক দু'পক্ষই দায়ী। সে ব্যাপারে জোর পদক্ষেপ নিয়েছি আমি। চুরি ধরার জন্য লাইন পরিবর্তন করছি এবং আমাদের ট্রাস্কফোর্স কাজ করছে। সবচেয়ে বড় কথা হচ্ছে- আমরা আন্ডারগ্রাউন্ড ক্যাবলিং করছি। এটা হয়ে গেলে আর সিস্টেম লস থাকবে না। এ জন্য প্রথমে ধানমন্ডি ও এর আশপাশের এলাকা বেছে নিয়েছি। এটা আমাদের জি টু জি প্রকল্পের আওতায় আছে। পরে আমরা অন্য এলাকাগুলো নিয়েও কাজ করব। আশা করছি, ২০২১ সালের মধ্যে ঢাকাকে আন্ডারগ্রাউন্ড ক্যাবলিংয়ের আওতায় নিয়ে আসতে পারব। এর মাধ্যমে টেকনিক্যাল লস আর থাকবে না। এ ছাড়া বিদ্যুৎ স্পৃষ্ট হয়ে আর মানুষ মারা যাবে না। এর বাইরে আরেকটি পরিকল্পনা হচ্ছে পিডিবি থেকে বিদ্যুৎ নেয়ার সময় একটি টেকনিক্যাল কারণে বড় অঙ্কের একটি সিস্টেম লস হয়। পিডিবি আমাদের বিশাল অঙ্কের জরিমানা করে। এই ক্ষতিটা যাতে না হয় ক্যাপাসিটর ব্যাংক বসানোর উদ্যোগও নিয়েছি। আশা করি, সেটি বাস্তবায়ন হলে ডিপিডিসি অনেক দূর এগিয়ে যাবে।
যায়যায়দিন: মাটির নিচে ক্যাবল স্থাপন প্রক্রিয়া শেষ হবে কবে?
বিকাশ দেওয়ান : মেইন ঢাকায় আমাদের কাজ হওয়ার কথা ছিল ২০১৭ থেকে ২০২০ সালের মধ্যে। তবে ২০২০ সালের মধ্যে সম্ভব না হলেও ২০২১ সালের মধ্যে অবশ্যই হবে। আন্ডারগ্রাউন্ড ক্যাবলিংয়ের কাজ বেশ ব্যয়বহুল। এই কাজ শেষ হলে টেকনিক্যাল লস কমবে, দেখতে সুন্দর হবে, পরিবেশ সুন্দর হবে, তার ছিঁড়ে অনেক মানুষ মারা যায়, সেটা বন্ধ হবে।
যায়যায়দিন: রাস্তাঘাটে অনেক দোকানে চোরা লাইন আছে। এসব বন্ধের ব্যাপারে কি ব্যবস্থা নিয়েছেন?
বিকাশ দেওয়ান : আপনি শুনে হয় তো অবাক-ই হবেন। এ সব লাইন কিন্তু চোরা লাইন না। সবগুলোতেই মিটার আছে। আমারও এক সময় এরকম ধারণা ছিল। এসব ক্ষেত্রে আমরা এলাকা অনুযায়ী নির্দিষ্ট একজন ব্যবসায়ীকে ১৫ কিলোওয়াট বা ২০ কিলোওয়াটের একটা লাইন দিয়ে দিই। অর্থাৎ ওই ব্যক্তি আমাদের কাছ থেকে বিদু্যৎ কিনে নেন। তিনি আমাদের লাইসেন্সধারী। ওই ব্যবসায়ী তার লাইন থেকে বিভিন্ন দোকানে লাইন দিয়ে থাকেন। দোকান অনুযায়ী তিনি ১০০, ২০০ বা ৫০ টাকা করে বিল তোলেন। আগে যে সব দোকানে চোরাই লাইন দেয়া হতো সেখানে আমাদের থেকে কিনে সংযোগ দিচ্ছে। আমরাও নিয়মিত বিল পাচ্ছি।
যাযাদি : অভিযোগ আছে- বিদ্যুতের নতুন সংযোগ দেয়ার ক্ষেত্রে ডিপিডিসির বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাদের খুশি না করলে বিদ্যুতের নতুন সংযোগ পাওয়া যায় না।
বিকাশ দেওয়ান : এ বিষয়ে আমি অত্যন্ত ওয়াকিবহাল। ডিপিডিসি অনলাইনের মাধ্যমে বিদ্যুৎ সংযোগ প্রদান করছে। এতে গ্রাহকরা প্রতি ধাপে এসএমএস পাচ্ছে। আপনি যেভাবে অভিযোগ করেছেন আমার কাছেও একইভাবে অভিযোগ আছে। সরাসরি আমার কাছে খুব বেশি অভিযোগ আসে না। তবে, যদি কোনো অভিযোগ পাই, আমি তৎক্ষণাৎ ব্যবস্থা নিই। বিভিন্ন পর্যায়ের সংযোগের ক্ষেত্রে সাত দিন, ২৮ দিনসহ টাইম ফ্রেম দেয়া আছে। সম্প্রতি আমি কয়েকটি ডিভিশনে পরিদর্শনে গিয়েছি। সেখানে সবাইকে নির্দেশনা দিয়েছি ঘোষিত সময় অনুযায়ী আন্ত্মরিকতার সঙ্গে গ্রাহককে বিদ্যুৎ সংযোগ দিতে হবে। এর ব্যত্যয় ঘটলে এবং অভিযোগ পাওয়া গেলে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে। এ ব্যাপারে আমরা একদম জিরো টলারেন্স। আমি গ্রাহকদের বলব, যারা হয়রানির শিকার হবেন তারা যেন সরাসরি আমার সঙ্গে যোগাযোগ করেন। ডিপিডিসির ওয়েবসাইটে আমার মোবাইল নাম্বার দেয়া আছে। আমি রাত-বিরাতে সবার টেলিফোন রিসিভ করি। ইতোমধ্যে পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দিয়ে গ্রাহকদের অবহিত করেছি যে, তারা যদি আমাদের ঘোষিত নিয়ম অনুযায়ী সেবা না পান তাহলে যেন সরাসরি আমার কাছে অভিযোগ করেন। এ ব্যাপারে প্রতিদিন অনেক চিঠি আসে। এই বিষয়টি সরাসরি আমি নিজেই দেখাশোনা করি। অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে গ্রাহকদের অভিযোগ বিবেচনা করি আমি। এই বিষয়ে আমরা আলাদা রেজিস্টার রাখি।
যায়যায়দিন: ডিপিডিসি নিয়ে আপনার স্বপ্ন বা পরিকল্পনা কী?
বিকাশ দেওয়ান : আমি যখন ডিপিডিসিতে আসি, পরিবেশ সন্তোষজনক ছিল তা বলা যাবে না। অনেক কিছুই অগোছালো ছিল। আমাকে মেনে নিতে অনেকেরই অসুবিধা ছিল। কিন্তু সময়ের সঙ্গে এখন অনেক কিছু বদলে গেছে। আমিও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বুঝতে পেরেছি। ডিপিডিসিতে অনেক কাজ করার সুযোগ আছে। আমার ইচ্ছা ভবিষ্যতে এ প্রতিষ্ঠানকে একটি এক্সিলেন্ট কোম্পানিতে রূপান্তর করা। আপনি জানেন, ডেসা থেকে ডিপিডিসি অনেক বোঝার মধ্যে আছে। এখন এটিকে লাভজনক একটি প্রতিষ্ঠানে রূপ দিতে চাই। সেজন্য আমরা নতুন নতুন প্রকল্প নিচ্ছি। আপনাকে এর আগে বলেছি, পিডিবি থেকে বিদ্যুৎ নেয়ার সময় টেকনিক্যাল কারণে বড় অঙ্কের সিস্টেম লস হয়। এজন্য পিডিবি আমাদের বিশাল অঙ্কের জরিমানা করে। এ সিস্টেম লস যদি কমাতে চাই তাহলে আমাদের ক্যাপাসিটি ব্যাংক বসাতে হবে। এটা আমার বড় একটা স্বপ্ন। আপনি প্রি-পেইড মিটারের কথা বলছিলেন। আমরা এটাকে অটোমেটেড করতে চাই। অনলাইন করতে চাই। এ নিয়ে একটা প্রকল্প করার পরিকল্পনা আছে। এই দুইটি হলে কস্ট কন্ট্রোল, অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ এবং জনগণকে সেবা দিয়ে ডিপিডিসি একটি সাসটেইনেবল পর্যায়ে দাঁড়াতে পারবে এবং গৌরব নিয়ে থাকতে পারবে।
যায়যায়দিন: সময় দেয়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।
বিকাশ দেওয়ান : যায়যায়দিনকেও ধন্যবাদ।

আপনার বিদ্যুৎ বিল দেখুন
শ্রেষ্ঠ স্টল
ডিজিটাল ওয়ার্ল্ড ২০১৬ সালে 'শ্রেষ্ঠ স্টল'
শ্রেষ্ঠ স্টল
বিদ্যুৎ মেলা ২০১৪ সালে 'শ্রেষ্ঠ স্টল'
মেয়র হানিফ ফ্লাইওভারের ইলেকট্রিক লাইনের রুট পরিবর্তন
গুলিস্তান-যাত্রাবাড়ী মেয়র হানিফ ফ্লাইওভারের ইলেকট্রিক লাইনের রুট পরিবর্তন করা
সেরা কর্পোরেট অ্যাওয়ার্ড
আইসিএমএবি শ্রেষ্ঠ কর্পোরেট অ্যাওয়ার্ড ২০১২
ইভেন্ট ক্যালেন্ডার